Tech News

Payoneer এড্রেস ভেরিফিকেশন কিভাবে করবেন

Payoneer
আপনারা যারা Payoneer একাউন্ট ইউজ করছেন, এবং মাষ্টার কার্ড রয়েছে, তাঁদের কাছে যদি কোন মেইল বা নোটিফিকেশন আসে এড্রেস ভেরিফাই করার (স্ক্রিনশটের মত), তবে তাঁদের সবাইকে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এড্রেস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। এই ব্যাপারে একটা নোটিফিকেশন আপনার একাউন্টের উপরে শো করার কথা। যদি নোটিফিকেশন না আসে তবে ভেরিফাই করতে হবে না। আপনি যদি ভেরিফিকেশন না করেন। তবে এই বছরের শেষে আপনার কার্ড ব্লক করে দেবে এবং একাউন্ট ইউজ করতে, ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে।
You are learning about how to verify Payoneer address Tips Bangla. Keep Learning and be happy
এড্রেস ভেরিফাই করতে হচ্ছে, কারন Payoneer তাঁদের কার্ডের দায়িত্ব Wirecard থেকে নিজেদের কাছে নিয়ে নিয়েছে। এই জন্য তারা গত ২ সেপ্টেম্বরে আয়ারল্যন্ডে নিবদ্ধিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আয়ারল্যন্ডের আইন আনুযায়ি যে সব কার্ডের এড্রেসে সমস্যা আছে তাঁদের ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। চার ভাবে এটা করা যাবে,
১. স্মার্ট NID কার্ড (পুরাতন NID আপাতত গ্রহন করছে না)
২. ইউটিলিটি বিল
৩. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
৪. আপনার যদি TIN সার্টিফিকেট থাকে
না বোঝার কারনে, ভেরিভাই করতে যেয়ে, অনেকেই বিভিন্ন ধরনে সমস্যায় পড়ছেন এবং ভেরিফিকেশন রিজেক্ট হচ্ছে। স্মার্ট NID দিতে গেলে কবে ইস্যু করা হয়েছে, মেয়াদ কত দিন ইত্যাদি প্রশ্ন করে রিজেক্ট করছে। অনেকে পুরাতন NID সাবমিট করছেন যেটা এখন তারা নিচ্ছে না। বাংলাদেশে নিজ নামে ইউটিলিটী বিল পাওয়া খুবই সমস্যার। এছাড়া দিতে গেলেও সমস্যা করছে। অনেকেই আবার চালাকি করে নাম চেঞ্জ করে, সাবমিট করার চেষ্টা করছেন। এসব করতে যেয়ে অনেকেরই একাউন্টে সমস্যা হচ্ছে।
সব থেকে বেস্ট হচ্ছে, ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে ভেরিভাই করা। আপনার Payoneer কার্ডে যে ব্যাংক একাউন্ট এড করা আছে, সেটার ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিবেন। খেয়াল রাখবেন যেন ঠিকানা পরিষ্কার ভাবে বোঝা যায়। আপনার ব্যাংক একাউণ্টের এড্রেসের সাথে Payoneer এর এড্রেস মিল থাকতে হবে। যদি না থাকে, তবে এটা সবমিট করার আগে, ঠিকানা চেঞ্জ করে নেবেন। এর পরে ব্যাংক স্টেটমেন্টের হাই রেজুলেসনের ছবি তুলে বা স্কান করে, কোন ধরনের ইডিট করা ছাড়াই সাবমিট করবেন। আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে। সব থেকে ভাল হয় লাইভ চ্যাট করে, তাঁদেরকে বলে সবমিট করলে। আশা করা যায় ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই ভেরিফাই হয়ে যাবে।
এই ভেরিফিকেশন শুধু মাত্র যারা কার্ড ইউজ করছেন তাঁদের জন্য। যারা কার্ড নেন নাই, তাঁদের আপাতত ভেরিফিকেশন করতে হবে না। তবে তারা যদি ভেরিফাই করতে বলে তবে করতে হবে। পরিশেষে বলব, Payoneer না থাকলে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং করা অনেকটাই কঠিন হয়ে যেত। তাই কোন ধরনের হেলাফেলা না করে, তাঁদের নিয়ম মেনে চলে আপনার একাউন্ট সুরক্ষিত রাখুন।

Author

jakirahmed

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *